৫ লাখ হলে বাঁচতে পারে ইবি শিক্ষার্থী রবিউল

  • 23 Apr
  • 03:45 PM

আজাহার ইসলাম, ইবি প্রতিনিধি 23 Apr, 21

দীর্ঘদিন পেটে মাংস বেড়ে যাওয়া ও ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম সোহাগ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

বর্তমানে তিনি বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত রয়েছেন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। তবে আর্থিক অসচ্চলতার কারণে তার পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানায়, অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেও রবিউলের সঠিক রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে তার অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে। এখন তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া জরুরি। এই মুহূর্তে সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে ৪ অথবা ৫ লক্ষ টাকায় আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। চিকিৎসায় বিলম্ব করলে অবস্থা জটিল পর্যায়ে যেতে পারে। তখন কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করেও আরেগ্য লাভ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছেন তারা।

রবিউলের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত পাঁচ মাস ধরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে ১৪টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোন রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। খারাপ রিপোর্টও আসেনি। ইতিমধ্যেই  চিকিৎসায় এক লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে।

এদিকে চিকিৎসা চলাকালীন হঠাৎ তার মায়ের হাত ভেঙ্গে যায়। তার মায়ের হাতের দুই বারের অপারেশনে বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে যায়। তার বাবাও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। তবুও ঋণ করে রবিউলের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে তার পরিবার। এমনবস্থায় মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে রবিউল, তার পরিবার ও সহপাঠীরা।

রবিউল ইসলাম সোহাগ বলেন, ‘আম্মার হাত ভাঙ্গার অপারেশনে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। আব্বাও  শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। অনেক ঋণ করেই আমি আমার চিকিৎসা চালিয়ে নিয়েছি। এতদিন এসব দুঃখ-কষ্ট আমি নিজের মধ্যেই চেপে রাখছিলাম। কিন্তু এখন আর চেপে রাখতে পারলাম না। কারণ চেপে রাখার সামর্থ্য আমার আর নেই।’

রবিউলকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারেন যেকেউ। সহায়তা পাঠাতে পারেন রবিউল ইসলামের পার্সোনাল মোবাইল ব্যাংকিং ০১৭৩৭৮৮৬৩৮৭ (বিকাশ),০১৭৩৫১৯৭৮৫৩ (রকেট) এবং ০১৭৩৫১৯৭৮৫৩ (নগদ) একাউন্টে।