হাবিপ্রবির টিএসসিতে পুনরায় ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

  • 02 Oct
  • 08:48 PM

আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি 02 Oct, 20

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(হাবিপ্রবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র(টিএসসি)তে পুনরায় রুপালি ব্যাংকের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা স্থানান্তরে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এর আগে গত বছরের মে মাসে টিএসসিতে রুপালি ব্যাংকের শাখা স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে শাখা স্থানান্তরের কাজ বন্ধ রাখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে করোনায় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় পুনরায় টিএসসিতে রুপালি ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র(টিএসসি)৫ম তলা বিশিষ্ট। এর মধ্যে ক্লাশ সংকটের দরুণ ৪র্থ এবং ৫ম তলা যথাক্রমে স্থাপত্য বিভাগ এবং এ্যাগরিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে ৩য় তলা ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টিএসসির ২য় তলায় রুপালি ব্যাংকের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা পুনরায় স্থানান্তরের অনুমোদন দিলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।এ ব্যাপারে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো: রতন মিয়া ক্ষোভ জানিয়ে বলেন ,'আমাদের ক্যাম্পাসে প্রাণখুলে আড্ডা দেবার মতো তেমন কোন জায়গা নেই।এজন্য টিসটিসকেই আমরা আমাদের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে থাকি।কিন্তুু ২য় তলায় রুপালি ব্যাংকের শাখা স্থানান্তর করায় আমাদের আর তেমন কোন জায়গা রইলো না'।

এ ব্যাপারে হাবিপ্রবির প্লানিং এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শাখার পরিচালক প্রফেসর ড.মো: মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি জানান, 'এটা আমার বিষয় না।আপনারা ভিসি স্যারের সাথে কথা বলুন।স্যার অনুমতি দিয়েছেন কাজ শুরু করতে"।

এদিকে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ ফজলুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, 'এতে সমস্যার কিছু দেখি না। কারণ দশ তলা ভবনের কাজ শেষ হলে টিএসসির চতুর্থ এবং পঞ্চম তলার ক্লাশগুলো ওখানে শিফট করা হবে।তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা ওই ফ্লোরগুলো পাবে'।

তবে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো: আবুল কাসেমের সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।