হাবিপ্রবির জিয়াউর রহমান হলে চুরির ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন

  • 22 Oct
  • 06:52 PM

আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি 22 Oct, 20

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(হাবিপ্রবি) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের গণরুমে ব্যাপক চুরির ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।আবাসিক হলের গণরুমে চুরি পরবর্তী কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে জিয়াউর রহমান হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মোঃ গোলাম রব্বানি এমন তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, 'আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করতে'। তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের খুঁজে বের করা যাবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে হল সুপার জানান,'সিসিটিভি ফুটেজের ডেটা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকে।তারপরে আর থাকে না।তবে এব্যাপারে তদন্ত কমিটি তদন্ত করবে'।

মালামাল চুরি যাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে করলে হল সুপার বলেন,'তদন্ত কমিটি তদন্ত করে যেই সুপারিশ বা রিপোর্ট আমাদের কাছে জমা দিবেন,তার ভিত্তিতেই আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো।আপনাকে ধন্যবাদ'।

প্রসঙ্গত গত ১৫ অক্টোবর(বৃহস্পতিবার) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে গিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে গিয়ে প্রথম ব্যাপক চুরির ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন।সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে দেখা যায়,গণরুমের সব কিছু লন্ড ভন্ড অবস্থায় পড়ে রয়েছে।ট্যাঙ্ক এবং টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে ফেলা হয়েছে। ল্যাগেজ,ব্যাগ,বই,জামা-জুতা,রেকর্ডের সরঞ্জাম,মাইক্রোফোন,রান্না করার হাড়ি-পাতিল পর্যন্ত চুরি হয়েছে অনেক শিক্ষার্থীর।খোয়া গেছে সার্টিফিকেট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ডও।পরে রয়েছে শুধু লেপ,তোষক আর বালিশ! জিয়াউর রহমান হলের গণরুমে প্রায় ৪০-৫০ জন শিক্ষার্থী থাকেন।গণরুমের আবাসিক এই শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তাদের প্রায় সকলের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ মূল্যবান অনেক জিনিস চুরি হয়েছে।তারা এরজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রশাসনকেই দুষছেন।বন্ধ ক্যাম্পাসে বন্ধ হলে হলের নিরাপত্তা কর্মী থাকা অবস্থায় কিভাবে এমন বৃহৎ চুরির ঘটনা ঘটলো এমন প্রশ্ন তুলে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা।