মা'য়ের ভালবাসাই বেঁচে থাকার প্রতিটি ক্ষণকে করে অনেক বেশি কাংখিত ও প্রত্যাশিত

  • 18 Mar
  • 11:21 PM

আনিসুর রহমান - সহকারী অধ্যাপক (ডিআইইউ) 18 Mar, 20

ফেসবুকে স্ক্রল করতে করতে করোনার আতংকে আতংকিত মানুষের করুণ প্রতিচ্ছবি দেখে মুষড়ে পড়ি। মৃত্যুর দাবানলে ন্যুব্জ হয়ে পড়া বৈশ্বিক মানুষের অসহায়ত্ব অনুভব করি। নিজেকে সচেতন করে আবদ্ধ ঘরে আটকে রাখার ছক আকি। পূনরায়, কর্মব্যস্ততার বাস্তব নির্জাসে অর্পিত পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিজেকে প্রচন্ড সাহসী করে তুলি এবং অজানা শংকা নিয়ে বাইরে বেড়িয়ে পড়ি। জীবন ছুটে চলে নিয়মের বেড়াজালে..

কিন্তু হঠাৎ জীবন যেন কেমন থমকে দাড়ায়। যখন সেলফোনের টুংটাং শব্দে মায়ের ভারী গলায় উৎকন্ঠা শুনি, ব্যস্ততম নগরী ছেড়ে মায়ের নিরাপদ রাজ্যে ছুটে যাওয়ার কড়া নির্দেশ পাই, তখন যেন সব ওলটপালট হয়ে যায়। অজানা ভয় এসে ঝাপটে ধরে প্রচন্ডভাবে। ভয়ার্ত নিজেকে সামলে নিয়ে শক্তিশালী কন্ঠে মা'কে শুধাই, 'তোমার ছেলেকে কোন অজানা শক্তি ছিনিয়ে নিতে পারবে না। বরং ব্যস্ততম এই শহরে নিরাপত্তার শ্বাশত চাদরে মোড়া আছে সে।' আরো কত কি..

মা কিছুই শুনতে ও বুঝতে চায় না। শংকাজনক কোন নিয়মের গোলকধাঁধায় তার প্রিয় সন্তানকে আটকে রাখতে চায় না সে। বরং নিরাপদে দিব্যি আনন্দে শংকামুক্ত ধরণীতে বেচে থাকতেই দেখতে চায়। মা'য়ের ভালবাসাই বোধ করি বেচে থাকার প্রতিটি ক্ষণকে অনেক বেশি কাংখিত ও প্রত্যাশিত করে তোলে।।

করোনার বিষাক্ত থাবা থেকে মুক্ত হোক প্রতিটি মায়ের সন্তান। শান্তি ভর করুক বিশ্বজুড়ে।।