একজন মায়ের মুখে আবারো হাসি ফুটানোর আকুতি

  • 10 Dec
  • 07:39 AM

ডেস্ক নিউজ 10 Dec, 20

দশ মাস দশদিন গর্ভে ধারন করে একজন সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখান মা। মা ছাড়া পৃথিবীর সব কিছুই যেনো অর্থহীন। সন্তানের মঙ্গলের জন্য নিজের সব সুখ বিলিয়ে দিতে সামান্যতম কার্পণ্য করেননা তিনি। নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও সন্তানের জীবনকে আলোয় আলোয় পরিপূর্ণ করাতেই যেনো তার স্বার্থকতা।
কিন্তু সেই নিঃস্বার্থ মা'ই যদি সন্তানের চোখের সামনে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়তে থাকে কোনো সন্তানের কাছেই তা মেনে নেওয়া সহজ না। মহামূল্যবান রত্নকে নিজের জীবন থাকতে খোয়াবেন এমন সন্তান হয়তো দুনিয়াতে খুব কমই আছে। নিজের সবটা দিয়ে চেষ্টা করব বুকে আগলে রাখতে চায় নিজের মাকে প্রতিটা সন্তান।
তাজরিহা আহমেদ। পড়াশুনা করছেন সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সমাজ কর্ম বিভাগে। তার মা এডিনোকার্সিনামোর (ক্যান্সার) মিড স্টেজ এ আক্রান্ত রোগী। নিজের মাকে সুস্থ করার জন্য এপর্যন্ত প্রায় ৩লক্ষ ৯২ হাজার টাকা খরচ করার পরও খুব একটা উন্নতির দেখা মিলেনি। গত ২৩দিন আগে অপারেশন হওয়ার পর অর্থের অভাবে আর পরবর্তী ধাপে এগানো সম্ভব হচ্ছেনা। একজন ভালো ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়ার মতো সামর্থ্যটুকুও নেই তাদের বর্তমানে। কিন্তু ক্যান্সারের সব থেকে কার্যকর চিকিৎসা কেমোথেরাপির জন্য আরো লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। এই টাকার বন্দবস্ত করতে না পারলে সব চেষ্টায় যেনো ফিকে হয়ে যাবে।
সমাজের এক সন্তানের মা মানে আমাদের সবার মা। আমরা কি পারিনা আমাদের একজন মাকে নিজেদের সামর্থ্যের হাতটুকু বাড়িয়ে দিয়ে তাকে আবার একটা সুস্থ সুন্দর জীবন ফিরিয়ে দিতে? তার সেই প্রাণচঞ্চল হাসিটুকু ফিরিয়ে দিতে?
পৃথিবীর সকল মায়ের মুখেই হাসি ফুটুক আমদের সামান্যতম চেষ্টায়। পৃথিবীর সকল মা বেঁচে থাকুক আমাদের ভালোবাসায়।

বিঃদ্রঃ সাহায্যের জন্য নিচের নাম্বারটিতে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।
বিকাশ পার্সোনাল- ০১৭৫৮৩৬৭৩২৪