মাদক মামলায় কারাগারে ইবি শিক্ষার্থীঃ নিঃশর্ত মুক্তি দাবি

  • 06 Sept
  • 06:27 PM

আজাহার ইসলাম, ইবি প্রতিনিধি 06 Sept, 21

মাদক মামলায় কারাগারে থাকা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সুমন আহমেদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুমন ইবির ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে কুষ্টিয়ার এন.এস রোডে সদর মডেল থানার সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবি, সুমন আহমেদকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। এর পেছনে ব্যবসায়ীকভাবে মারাত্মক ষড়যন্ত্র বিদ্যমান। সে কোনোভাবেই মাদকের সাথে জড়িত নয়। এই মামলা সুমনের ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে প্রভাব ফেলছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক। দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হোক।

আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আল-আমিন বলেন, ‘সুমন বাবার ব্যবসা সামলাতেন। তাকে ফাঁসানোর জন্যই হয়তো মিথ্যা অভিযোগ করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চিনি। স্কুল, কলেজে একইসাথে পড়েছি। সুমন কখনোই মাদকের সাথে জড়িত ছিল না। ডোপ টেস্টের রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। অনতিবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’

মানববন্ধনে ইবির হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইফতেখার মাহমুদ ফাইয়াজ, আইন বিভাগের মাহমুদুল হাসান মোয়াজ, লোক প্রশাসন বিভাগের জিন্নুরাইন হোসেন, জামিল আহমেদ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আল-আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৌফিক আহমেদ, কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের রাসেল মাহমুদ, নয়ন উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সুমনের স্কুল, কলেজ ও বিশ্বাবিদ্যালয়ের সহপাঠী, সিনিয়র, জুনিয়ররাসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, ৩১ আগস্ট কুষ্টিয়া র‍্যাব অভিযান চালিয়ে সুমন আহমেদের বাড়ি থেকে ৩৫৪ পিস ইয়াবা ও ১৪ গ্রাম হিরোইন জব্দ করে। আটকের পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর র‍্যাব বাদী হয়ে কুষ্টিয়া সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে সেদিনই তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত। সুমন কুষ্টিয়ার খাজানগর সুবর্ণা অটো রাইস মিলের মালিক মোহাম্মদ জিন্নাহ আলীর দ্বিতীয় ছেলে।