বাকৃবিতে নানা বিড়ম্বনায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

  • 17 Oct
  • 06:44 PM

আতিকুর রহমান, বাকৃবি প্রতিনিধি 17 Oct, 21

নানা বিড়ম্বনায় আজ (১৭ অক্টোবর) সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মোট ২০ টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা । আয়োজিত এ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে ও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে রাস্তাঘাটে যানজট, প্রবেশ পত্রে পরীক্ষার ভবনের ভূল নাম প্রকাশ, কক্ষে দেয়াল ঘড়ি না থাকাসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।



সরেজমিনে ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, পরীক্ষার আগ মুহূর্তে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংস্কার কাজ চলমান থাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে করে অনেক শিক্ষার্থীর সময়মত পরীক্ষার হলে পৌঁছাতে দেরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিভিন্ন পরীক্ষা কক্ষে দেয়াল ঘড়ি না থাকায় সময় নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাসে ভবনের নাম ভূল থাকায় আসন খুঁজে পেতে কিছু শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়ে যায়। এছাড়াও পরীক্ষার হলগুলোতে গাদাগাদি করে এক কক্ষে অনেক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা দিতে দেখা যায়। যার ফলে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হয়েছে বলে জানা যায়।



ভর্তিচ্ছু আরমান শরিফ নামের এক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ১২টায় আমার পরীক্ষা ছিল। তীব্র যানজটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট থেকে হেঁটে আসতে গিয়ে পরীক্ষার হলে পরীক্ষা শুরুর আগ মুহূর্তে পৌঁছেছি। যার কারণে মানসিক চাপ নিয়ে পরীক্ষার হলে বসতে হয়েছে। এমনটা না হলে হয়ত আমি পরীক্ষায় আরোও কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতাম।



এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান ফটকে এবং জব্বার মোড়ে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে আমি নিজে গিয়ে সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছি। কিছু কিছু শ্রেণিকক্ষে অনেকদিন ক্লাস না হওয়ায় হয়ত দেয়াল ঘড়ির সমস্যা থাকতে পারে। ক্যাম্পাসে আমাদের সর্বোচ্চ সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ছিল। আসন খুঁজে পেতে কোনো পরীক্ষার্থীর সমস্যা হয়েছে বলে জানা যায় নি। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধির মানার বিষয়টি আমরা সর্বাত্নক চেষ্টা করেছি। আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না।



ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, আমরা সঠিক সময়ে সকল পরীক্ষা কক্ষে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেছি। কোথাও কোনো প্রশ্ন ফাঁস বা অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটে নি।



ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখা থেকে জানা যায়, ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৫’শ ৩৯ টি। এতে অংশ নেয় ১০ হাজার ৮’শ ১জন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী। উপস্থিতির হার ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ। দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ওই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা চলে।