বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ শুরু

  • 10 Jan
  • 09:32 AM

ভার্সিটি ভয়েস ডেস্ক 10 Jan, 20

বিশ্ব মুসলিমের প্রচারধর্মী সংগঠন তাবলিগ জামাতের বার্ষিক সম্মেলন বিশ্ব ইজতেমার তিন দিনের প্রথম পর্ব ঢাকার অদূরে গাজীপুরের টঙ্গীতে শুরু হচ্ছে আজ। এর পাঁচ দিন পর ১৭ জানুয়ারি শুরু হবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।


ইজতেমায় অংশ নিতে আসা দেশি-বিদেশি লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত সুশৃঙ্খল রাখতে রাজধানীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় গাড়ির পার্কিং ও যান চলাচল বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

যানবাহন পার্কিংয়ের বিভাগভিত্তিক ব্যবস্থার কথা জানিয়ে রেইনবো ক্রসিং থেকে আব্দুলস্নাহপুর হয়ে ধউর ব্রিজ পর্যন্ত এবং রামপুরা ব্রিজ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত রাস্তা ও রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপি বলেছে, যানবাহন পার্কিংয়ের চালক/হেলপারকে গাড়িতে থাকতে হবে। মালিক ও চালক পরস্পরের মোবাইল নম্বর নিয়ে রাখবেন, যাতে বিশেষ প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায়।

ইজতেমার দুই পর্বের আখেরি মোনাজাতের দিন ভোর ৪টা থেকে বিমানবন্দর সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে মহাখালী ক্রসিং, হোটেল রেডিসন গ্যাপ, প্রগতি সরণি, কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচের লুপ-২, ধউর ব্রিজ ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন উত্তরা ১৮নং সেক্টরের প্রবেশ মুখ থেকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই পর্বের বিশ্ব ইজতেমার প্রয়োজনে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক প্রধান বেনজীর আহমেদ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

বেনজীর বলেন, 'বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে কোনো ঝুঁকি নেই। এরপরও আমরা সতর্ক রয়েছি। কোথাও কোনো ঝুঁকি প্রতীয়মান হলে সঙ্গে সঙ্গে যেন মোকাবিলা করতে পারি সে ব্যাপারে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।'

ইজতেমা ঘিরে নিরাপত্তার জন্য তুরাগ নদীতে স্পিডবোট ও আকাশে হেলিকপ্টার টহলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, 'আমাদের সিসি ক্যামেরার মাধ্যমেও নজরদারি যেমন থাকবে তেমনি ডগ স্কোয়াড নিয়ে টহল থাকছে। ইজতেমাস্থলের ভেতরে-বাইরে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা দল নিয়োজিত থাকবে।

'আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।'

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসবের মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়, মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়, যার কারণে বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারে; ক্ষতি হতে পারে।

এর মধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৭টি দেশ থেকে বিদেশিরা এসেছেন বলে তিনি জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের সাথে দুই গ্রম্নপেরই যোগাযোগ আছে। প্রত্যেক গ্রম্নপের নিজ দায়িত্ব আছে। এক গ্রম্নপের কাছ থেকে আরেক গ্রম্নপের দায়িত্ব হস্তান্তর যেন শান্তিপূর্ণ হয় সে ব্যাপারে কাজ করা হচ্ছে।