ইবির ২৬ শিক্ষক ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ বিশেষ ফেলোশিপে মনোনিত

  • 11 Dec
  • 06:20 PM

আজাহার ইসলাম, ইবি প্রতিনিধি 11 Dec, 20

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচি’ খাত থেকে বিশেষ গবেষণায় অনুদানে মনোনিত হয়েছেন ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের (ইবি) ২৬ শিক্ষক। ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য মনোনিত হয়েছেন তারা।

গত মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. গোলাম মোস্তফা সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। শুক্রবার দুপুরে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দেশে মোট ৬ ক্যাটাগরিতে ৫৭৯টি গবেষণা প্রকল্পের অনুদানের জন্য ১ হাজার ১৫৮ জন শিক্ষক মনোতিত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫ ক্যাটাগরিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬ শিক্ষক মনোনিত হয়েছেন।

বায়োলোজিক্যাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে মনোনিতরা হলেন- বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মফিজুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. নিলুফা আক্তার বানু, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাসুদ, সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন।

ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে- সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দীন খান, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোস্তফা জামাল, প্রভাষক আনিসুল কবির।

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স ক্যাটাগরিতে- অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. আয়েশা আক্তার জামান, অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. শরীফ মো. আল রেজা, অধ্যাপক ড. মিনহাজুল হক, সহযোগী অধ্যাপক ড. সাদিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আরিফুজ্জান জামান খান, সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসানুল হক, অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, সহযোগী অধ্যাপক এস এম আব্দুর রাজ্জাক।

একই ক্যাটাগরিতে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল মোমিন, সহযোগী অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. খলিলুর রহমান। এছাড়া ইন্টার ডিসিপ্লিনারি ক্যাটাগরিতে অ্যাপ্লাইড নিউট্রেশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক এটিএম মিজানুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মনোনিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭-১৯৭৮ অর্থবছর থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত/গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই অনুদান প্রদান করা হয়। প্রতিবছর বায়োলোজিক্যাল সায়েন্স, মেডিক্যাল সায়েন্স, ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্স ও ইন্টার ডিসিপ্লিনারি ক্যাটাগরিতে এ ফেলোশিপ দেওয়া হয়।