২৫% টিউশন ফি মওকুফ চায় গবি শিক্ষার্থীরা

  • 21 Sept
  • 04:51 PM

আব্দুল্লাহ আল মামুন, গবি প্রতিনিধি 21 Sept, 20

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে শুরু হওয়া সেমিস্টার ফি'র ব্যাপারে ২৫% মওকুফের এক যৌক্তিক দাবি উপস্থাপন করেছে ক্যাম্পাসের ৮ সংগঠন। তারা এই দাবির পক্ষে শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন বিভিন্ন অসুবিধার কথা তুলে ধরেন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিবৃতি প্রকাশ করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট সেন্টারের সহ-সভাপতি শারমিন কবিতার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ দাবি জানান।

সেমিস্টার ফি মওকুফের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ সংগঠনের দেয়া যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মহামারীর এই সময়ে শিক্ষার্থীদের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দুঃচিন্তায় দিন কাটাতে হচ্ছে। অনেকে টিউশনি এবং পার্ট টাইম চাকরী হারিয়ে এখন বেকার জীবনযাপন করে বাসায় অবস্থান করছে। অনেকে করোনায় হারিয়েছে আপনজন। এই পরিস্থিতিতে তারা সেমিস্টার ফি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে। তাছাড়া এখন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় অনলাইনে ক্লাস ও পরিক্ষা নেয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্নধরণের সরঞ্জামাদি(লাইট, ফ্যান, ওয়াইফাই, ল্যাব, এসি) ব্যবহার করছে না। এজন্য শিক্ষার্থীদের ২৫% টিউশন ফি মওকুফ একটি যৌক্তিক দাবী।

অপরদিকে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই মহামারীতে তাদের টিউশন ফি অনেকাংশে কমিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়ে মানবতার পরিচয় দিয়েছে। এক্ষেত্রে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতিলাভ করা গণ বিশ্ববিদ্যালয় সে সুযোগটা না দেয়ায় ব্যাপারটাকে আমরা খুব দুঃখজনক বলে মনে করি।

১৭ সেপ্টেম্বর সেমিস্টার ফি পরিশোধের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেমিস্টার ফি ২৫% পরিশোধ করে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে, এবং বাকি ২৫% পরবর্তী সময়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছিলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থী'রা হতাশ হয়ে পড়ে। এ সূত্র ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ সংগঠন মিলে এক ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করে এবং তাদের দাবি বিবৃতি প্রকাশ করে।

শিক্ষার্থীদের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জি.এস নজরুল ইসলাম রলিফ বলেন, "আগামী বুধবার আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের সাথে বসবো। যদি দাবী মেনে না নেয়া হয় তাহলে সংগঠনগুলো এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ জানিয়ে দেবো।"

বিবৃতি দাতা ৮ সংগঠন হলো, কালের কন্ঠ শুভ সংঘ, সাধারণ ছাত্র পরিষদ, ডাক্তার এড্রিক বেকার ব্লাড ফাউন্ডেশন, সমকাল সুহৃদ, অগ্নি সাংস্কৃতিক পরিষদ, গণ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, গণ বিশ্ববিদ্যালয় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, বৃন্ত।