নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবীতে নোবিপ্রবিতে অবস্থান কর্মসূচী ও প্রতিবাদ সমাবেশ

  • 06 Oct
  • 07:19 PM

এস আহমেদ ফাহিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি 06 Oct, 20

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নিয়োগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবীতে অবস্থান কর্মসূচী ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।নোবিপ্রবি নীল দল এই কর্মসূচী আয়োজন করে।

আজ ৬ অক্টোবর নোবিপ্রবি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচী ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় নেতৃবৃন্দ শিক্ষামন্ত্রনালয় কর্তৃক আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে অযৌক্তিক ব্যাখ্যা করে তা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করার দাবী জানান এবং ১৫ দিনের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে প্রয়োজনে সবকিছু তালাবদ্ধ করে দেওয়ার কথা জানান নেতৃবৃন্দ।

উক্ত অবস্থান কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন নীল দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন নীল দলের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব মল্লিক। এতে উপস্থিত ছিলেন নীল দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব মল্লিক,নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক মো: মজনুর রহমান,বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. সেলিম হোসেন সহ নোবিপ্রবি নীল দল ও নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, শিক্ষকগণ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে সর্বোচ্চ মেধার পরিচয় দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করছেন। অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, নিয়োগ কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত ৬০ জন অস্থায়ী শিক্ষককে স্থায়ী করা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষকের পরবর্তী পদে পদোন্নতির সময়ও প্রায় ১ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। তাদের পরে স্থায়ী পদে নিযুক্ত শিক্ষকগণও পদোন্নতি পেয়ে যাওয়ায় শিক্ষকদের মাঝে একধরণের বৈষম্য দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও অনেকগুলো বিভাগেই পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, মাত্র ২ জন শিক্ষক দিয়ে ২টি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চলছে। ফলে মানসম্মত পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না এবং শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নতুন নিয়োগ বন্ধ থাকায় বিভাগ পরিচালনায় পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই বলে অনেক বিভাগের শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষাছুটিতে যেতে পারছেন না। এতে করে শিক্ষকদের মাঝে উচ্চশিক্ষা জনিত একধরনের অনিশ্চয়তা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমনকি অনেক শিক্ষক বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পেয়ে অস্থায়ী হওয়ার কারনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে। ফলে শিক্ষকগণ হতাশায় আচ্ছন্ন থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে পুরোপুরি মনোযোগী হতে পারছেন না। এমতাবস্থায় আজকের কর্মসূচী হতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার অনুরোধ করা হয় নচেৎ কঠোর কর্মসূচীর ঘোষণা দেওয়া হয় এবং বলা হয় ১৫ দিনের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে প্রয়োজনে সবকিছু তালাবদ্ধ করে দেওয়া হবে।