তরুণরাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের অন্যতম অভিপ্রায়

  • 26 Mar
  • 08:34 AM

দেওয়ান সাবাব, শিক্ষার্থী (ঢাবি) 26 Mar, 20

চৈত্রের রোদের প্রখরতার ১২তম দিনটি ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ, রোজ শুক্রবার। তার আগের রাত্রের ঘটে যাওয়া গণহত্যামূলক কালো অধ্যায়টি তখনও পুরাঘটিত বর্তমান। ভয়াল সে রাতে মানুষ যেমন অসহায়ের মতো প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে এদিক ওদিক ছুটছে জলপাই রঙের ঘাতকদের ভয়ে, ঠিক সেই মুহূর্তে বাঙালীর বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার ঠিক আগে সেলুলারে বার্তা প্রেরণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু বাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

তারপর বহু চড়াই উৎরাইয়ের সুদীর্ঘ নয় মাস, রক্ত আর স্বম্ভ্রমের বিনিময়ে আসে বাঙালীর কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। আমরা পাই স্বাধীন সার্বভৌম একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ।

আজ ২০২০ সালের ২৬ মার্চ, ১২ ই চৈত্র ১৪২৬! বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন সোনার বাংলা গড়বার। সোনার বাংলার সোনালী আঁশের গন্ধ যেমন তীব্র ঠিক তেমনি তীব্র থাকবে আমাদের দেশপ্রেম,চেতনা ও মানবতাবোধ। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন বাঙালীর জন্য বাঙ্গালী এগিয়ে আসবে সবার আগে। বাংলার তরুণ তরুণীরা যেমন অস্ত্র হাতে যুদ্ধে বিজিত করেছিল খান সেনাদের ঠিক তেমনি ভাবে বাঙালির আনন্দ বেদনা মিলন বিরহ সংকটে যুগোপযোগী অবদান রেখে যাবে বাংলার দামাল তরুণ-তরুণীরা।

আজ গোটা বিশ্ব তখন কোভিট-১৯ এর ভয়াবহতায় অসহায় ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলার তরুণেরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যাচ্ছে আরেকটিবার হাসি ফোটাবার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সচেতনতার বলয় সৃষ্টি হয়েছে তরুণ তরুণীর হাত ধরেই। শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমই নয় বিভিন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা রোধকল্পে কাজ করছে তরুণ-তরুণীরা।
মানুষের জন্য মানুষের যে সহমর্মিতায় উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে তা যেন বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া অন্যতম অভিপ্রায়।

বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস ধারণ করি। বর্তমান ও আগামী দিনের সংকট মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এর সুপরিকল্পিত দিকনির্দেশনায় আজকের এই তরুণ তরুণীরাই গড়ে তুলবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা।
পরিশেষে বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। তরুণ প্রজন্মের বিজয় সুনিশ্চিত।