শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বরণে ডুয়েট ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

  • 14 Dec
  • 11:46 PM

ডুয়েট প্রতিনিধি 14 Dec, 20

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) এ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ব্যানার্জীর নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ডুয়েট ছাত্রলীগ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যন্ত্রপ্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও রেজিষ্টার(চলতি দায়িত্ব) ড.আসাদুজ্জামান চৌধুরি,শারীরিক শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক আবুল কাসেম, ইইই ডিপার্টমেন্ট এর প্রভাষক মাজহারুল ইসলাম ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ব্যানার্জী সহ ডুয়েট ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। প্রথমেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বরণে ১ মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

ডুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ব্যানার্জী তার বক্তব্যে বলেন, ১৪ ডিসেম্বর আমাদের এক কালো অধ্যায়, ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতিকে মেধাশুন্য করার জন্য রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসরা
লেখক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবীদের নৃশংস ভাবে হত্যা করে। আজ সেই রাজাকার, আল-বদররা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অসম্মান করেছে। এই পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়বে ডুয়েট ছাত্রলীগ,প্রয়োজনে রাজপথে নামবে, তাদের চক্রান্ত সফল হতে দিবে না।

এসময় প্রভাষক মাজহারুল ইসলাম তার বক্তব্যে
বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের ধিক্কার জানান,এখনো যারা দেশকে মেধাশুন্য ও দেশের অগ্রগতিকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে ছাত্রলীগকে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার ও ছাত্রলীগকে রাজনীতির পাশাপাশি মেধার দিকে এগিয়ে থেকে দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক আবুল কাসেম স্যার তার বক্তব্যে বলেন,১৪ ডিসেম্বর আমাদের শোক দিবস,
এই সময় তিনি সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও সকল যুদ্ধোপরাধীদের দ্রুত বিচার করার দাবি জানান,তিনি আরো বলেন স্বাধীনতা বিরোধী আল-বদর,আল-শামস, জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মা আমাদের মাঝে এখনো বিচরন করছে, তিনি ছাত্রলীগকে নিজস্ব জ্ঞানে পরিপুর্ন হয়ে, জামাত-শিবিরকে রুখে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন,
১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানিরা আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করার মাধ্যমে একটা কালো অধ্যায় রচনা করে গেছে। যখন মা তার সন্তানকে আগলে রাখতে চেয়েছিল তখন রাজাকার, আল-বদর আল-শামস আমাদের সন্তানদের অনেক মারাত্মকভাবে আহত করে হত্যা করে। তারা আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের বেয়োনেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে হত্যা করে। তারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে নস্যাৎ করে এদেশকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিল। তাদের সাথে যোগ দেয় আমাদের দেশের কুলাঙ্গার কিছু মানুষ,এর সাথে যুক্ত ছিলো জামায়াত শিবির রাজাকার।
আজ দেশনেত্রী শেখ হাসিনা তার বাবার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরো বলেন,বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আমাদের লোক সংখ্যা কম,আমাদের সংখ্যা বাড়াতে হলে ছাত্রলীগকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে,গবেষণায়, সাহিত্যে,সাংবাদিকতায় এগিয়ে যেতে হবে।
সবশেষে তিনি এমন আয়োজনের জন্য ডুয়েট ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানান।