ডুয়েটে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

  • 05 Jan
  • 09:39 AM

ডুয়েট প্রতিনিধি 05 Jan, 21

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ-আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) শাখা ছাত্রলীগ। আজ (৪ জানুয়ারি) সোমবার সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ডুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী বিনয় ব্যানার্জীর সঞ্চালনায় সভাপতি মো. তাইবুর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রথমে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর উপাচার্য প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অংকিত একটি দেয়াল চিত্র পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন এবং ডুয়েট ছাত্রলীগের একটি অ্যাপস্ উদ্বোধন করেন।

ডুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস মানে ছাত্রলীগের ইতিহাস। ছাত্রলীগের মতো ছাত্র সংগঠনের হাত ধরেই স্বাধীনতা পেয়েছে বাংলাদেশ। জননেত্রী শেখ হাসিনা এর মিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে কাজ করবে ডুয়েট ছাত্রলীগ।
ডুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি তাইবুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ ছাত্রদের সংগঠন। ছাত্রদের অধিকার আদায়ে কাজ করে আসছে ডুয়েট ছাত্রলীগ এবং ভবিষ্যতেও করবে। তিনি উপাচার্যকে অনুরোধ করেন, ডুয়েট এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন মেহনতি মানুষের জন্য চিন্তা ও সংগ্রাম করে গেছেন। ছাত্রলীগের প্রত্যেক কর্মীদের উদ্দেশ্য হলো তার আদর্শ ধারণ করা। প্রত্যেক কর্মীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নিজ যোগ্যতায় অবস্থান তৈরি করতে হবে। তিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের এই ধারা অব্যহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান।’
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন, ডুয়েট এর রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডঃ মোঃ আসাদুজ্জামান চৌধুরী সহ অন্যান্য শিক্ষক ও নেতাকর্মীরা।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।’