জবি প্রশাসনের অজান্তেই পোগোজ স্কুলে নির্বাচনী ব্যানার ফেস্টুন

  • 25 Sept
  • 11:00 PM

জবি প্রতিনিধি 25 Sept, 20

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) এর অধীনস্থ পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ নির্বাচনী ব্যানার ফেস্টুনে সয়লাব। কিন্তু এ বিষয়ে কিছুই জানে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অনুসন্ধা‌নে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনস্থ পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে আগামী শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে বৃহত্তর নোয়াখালী গার্মেন্টস এক্সেসোরিজ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়ে নির্বাচনের জন্য ভাড়া দিয়েছে পোগোজ স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. মনির হোসেন।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় চলাকালীন বিভিন্ন সময় পোগোজ স্কুল এন্ড কলেজকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভাড়া দিতে দেখা যায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এর শিক্ষার্থীদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত বহিরাগত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখানকার শিক্ষার্থীদের নানান কথাও শুনতে হয়।

এ বিষয়ে পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. মনির হোসেন বলেন, আমরা ডিসি মহোদয় এবং পুলিশ থেকে অনুমতি নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে অনুমতি নেয়া হয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমরা অনুমতি নিয়ে নিবো। ভিসি স্যার আমাদের হলরুম ভাড়া দেয়ার জন্য সবসময় অনুমতি দিয়ে থাকেন। তবে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়া আর এমন হবে না বলে জানান তিনি। তবে শনিবার নির্বাচন হবে বলে তার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মনিরা জাহান বলেন, এই ব্যাপারে আমি কিছুই জানতাম নাহ, বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছি, আমাদের শিক্ষার্থীরা এই বিষয়ে বেশ ক্ষুব্ধ। স্কুল পরিচালনায় এখন যে কমিটি হয়েছে সেখানে আমি নেই। আর স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাকে কিছু জানিয়ে করেন না। ওনাকে এর আগেও বলার চেষ্টা করেছি পোগোজ যেহেতু আমাদের অধীনে, যেকোনো কাজ করতে আমাদের জানাতে হবে। এ বিষয়ে আমাদের প্রক্টরদের জানিয়েছি। ওনারা বিষয়টি দেখবেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ ব্যাপারে কিছু জানাইনি। তাদেরকে ঢেকে জিজ্ঞেস করা হবে কেনো তারা অনুমতি নেয় নি আর এই পরিস্থিতিতে যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার সভা সমাবেশ ও বন্ধ থাকবে।