জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কর্মী রাহাতের ইদ উপহার বিতরণ

  • 13 May
  • 08:32 PM

জবি প্রতিনিধি 13 May, 21

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, ভারতীয় ভ্যারিয়ান্ট শনাক্ত হওয়া এবং দলবেঁধে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে গ্রামের বাড়ির দিকে ছোটা মানুষের সংখ্যা ভাবনাতীত। পরিসংখ্যানের হিসেবে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এসব ছেড়ে মানুষগুলো শহর ছেড়ে গেলেও করোনা থেকে নিজেদের ছাড়াতে পারে নি বরং পরিস্থিতি করেছে ভয়ানক। সব কিছুর আড়ালে রাজধানী শহর ঢাকায় বেশ কিছু মানুষ রয়েছে যাদের ঠিকানা রাস্তা। অতিরিক্ত টাকা এবং দূরাবস্থা সাথে তাল মিলিয়ে যারা ঢাকা ছাড়তে ব্যর্থ। পবিত্র ইদুল ফিতরের মতো উৎসবে ও যাদের উৎসবের রংয়ের রঙ্গিন হবার সম্ভবনা নেই। তাঁদের নরম মনকে উৎসবের রঙ্গে রাঙ্গাতে ছুটে এলেন জবি ছাত্রলীগের পরিশ্রমী কর্মী রাহাত বিন মামুন।

মিরপুরের বাসিন্দা রাহাত ১৩ ই এপ্রিল সকাল থেকেই রঙ্গিন মোড়কে এসব মানুষদের ইদ উপহার পৌঁছে দেয়া শুরু করে। উপহার মোড়কে লাচ্ছা সেমাই, গুড়া দুধ এবং ইদের নিত্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু পণ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষকে তিনি এ মানবিক সেবার আওতায় আনার সুযোগ পেয়েছেন৷ উপহার সামগ্রী হাতে পাওয়া ভাবমান অনেক মানুষের চোখে মুখেই দেখা গেছে পরম তৃপ্তির ছাঁপ। এমন উপহার সামগ্রী না পেলে আগামীকাল তাঁদের ইদ কেমন তাঁরা কেউ জানতেন না। নিঃসন্দেহে যা তাঁদের বিরাট চিন্তার বেড়াজাল থেকে মুক্তি দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মানবতাকামী রাহাত বলেন - " অসহায় অনেক মানুষকেই গত ২/৩ দিনে নানা দূরাবস্থা দিনযাপন করতে লক্ষ্য করি। ইদ কেমন কাটবে তা নিয়ে সংশয় অনেকের মুখেই স্পষ্ট ভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছিলো। এমতবস্থায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা এবং মানবতার স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়ে কিছু একটা করবার সিন্ধান্ত নিই। ইনশাআল্লাহ আমার এই কাজ সফল হয়েছে এবং যা ইদ পূববর্তী সময় অব্দি অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি তাঁদের সামাজিক অবস্থার কথা চিন্তা করে ছবি তোলা অবস্থায় উপহার সামগ্রী বিতরণ করা থেকেও বিরত থেকেছি"।

উল্লেখ্য যে, সরকার ঘোষিত লকডাউনের শুরু থেকেই অসহায়, ছিন্নমূল মানুষের পাশে মানবিক বোধে উদ্ভাসিত ছিলেন রাহাত বিন মামুন। প্রায় প্রতিদিনই ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক উদ্যগে রাহাত ইফতার বিতরণ করেছেন। সবার সার্বিক মঙ্গল কামনা করে ইদের বাস্তবিক চেতনায় সবার মুখে ফুটবে হাসি এমনটাই রাহাতের দৃঢ় প্রত্যাশা৷