• 20 Sept
  • 01:06 AM
হাবিপ্রবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন রায়ের আত্নহত্যা

আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি 20 Sept, 20

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমন রায় সিধু(২৩) আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।তাদের দাবি অনুযায়ী,পরিবারের অর্থনৈতিক দূরাবস্থার কারণে সুমন দীর্ঘদিন থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।ঘটনার আগের দিন ১৮সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)সুমন তার মার কাছে কিছু টাকা চায়।টাকা না পেয়ে কিছুটা মন খারাপ করে সুমন।পরিবারের ধারণা ওই ঘটনার জেরেই পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর(শনিবার)৫টি মাছ মারা বিষের গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে দীর্ঘক্ষণ ধানক্ষেতে পড়ে ছিলেন সুমন।ধানক্ষেতে পরে থাকা অবস্থায় দেখে এলাকাবাসী কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায় সুমনকে।এরপর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করার পর রাত্রি আনুমানিক ১১ টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দু'ভাইবোনের মধ্যে ছোট সুমনের বাসা দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার মোকন্দপুর গ্রামে।তার বাবা ননি গোপালরয় গত বছর লিভার ক্যান্সারে মৃত্যবরণ করেন। বাবার চিকিৎসার জন্য ফান্ডও তোলা হয়েছিলো।সুমন বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হলে থাকতেন। পরিবার এবং এলাকাবাসীর দাবি সুমন দীর্ঘদিন থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন।হতাশায় তাকে আত্নহত্যা করতে প্ররোচিত করেছে বলে মনে করছেন তারা।

তবে একথা কিছুতেই মানতে পারছে না সুমনের বন্ধু-বান্ধবরা।সুমনের বন্ধু ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রওনক জানান, এটা একেবারেই অসম্ভব।ওর মতো ছেলে আত্নহত্যা করবে এটা একেবারেই ভাবিনি।আমরা তার বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করি।

এদিকে সুমনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হাবিপ্রবি পরিবারে।সকলের একটাই দাবি এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্য যেন আর কাউকেই স্পর্শ না করে।