করোনায় শঙ্কিত নয়, সচেতনতা বাড়াতে হতে হবে

  • 09 Mar
  • 02:09 PM

ঢাকা কলেজ প্রতিনিধি 09 Mar, 20

বিমানবন্দরে করোনা ভাইরাস স্ক্যানিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিলো আগেই। অভিযোগ ছিল করোনা শনাক্তে আন্তর্জাতিক মানের থার্মাল স্ক্যানার ব্যবহার করা হচ্ছে না। এতে যেকোনো সময় করোনা আক্রান্ত রোগী দেশে প্রবেশ করতে পারে এবং তা সত্যি প্রমাণিত হল।

সরকার পক্ষ থেকে যতই বলা হোক করোনা মোকাবেলায় আমাদের যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া আছে এতে কান দিলে চলবে না বরং শঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

এটি এমন এক ধরণের ভাইরাস যা মানব সহ স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শ্বাসযন্ত্রের ট্র্যাক্টকে প্রভাবিত করে আর সর্দি, নিউমোনিয়া এবং মারাত্মক তীব্র শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণের (এসএআরএস) সাথে যুক্ত এবং এটি অন্ত্রকেও প্রভাবিত করতে পারে।

এজন্য করোনাভাইরাসের লক্ষণ (ঠান্ডা, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাস নিতে অসুবিধা, জ্বর) দেখা দিলে আমাদের অবশ্যই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলোজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ" আইইডিসিআরে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে।

করোনা প্রতিরোধে যা করতে হবে তা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে।

প্রথমত, এই ভাইরাসটি যেখানে ছড়াচ্ছে সেখানে যাওয়া এড়ানো উচিত।
• এরপর হাত সাবান দিয়ে ভাল করে ধুতে হবে। যদি সাবান না থাকে তবে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
• নাক এবং মুখ ভালভাবে ঢেকে রাখতে হবে।
• অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
• ঘর ও জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখতে হবে।
• নন-ভেজ বিশেষত সামুদ্রিক খাদ্য খাওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে। কেননা এই ভাইরাস সি-ফুড থেকেই ছড়ায়।
• বাইরে যাওয়ার আগে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে যাবেন। সকালে ঘণ্টাখানেকের জন্য জানালা খোলা রাখলেই পর্যাপ্ত সতেজ বাতাস এবং সূর্যের আলো ঘরে প্রবেশ করবে।
• ডিম কিংবা মাংস রান্নার সময় চেষ্টা করবেন পর্যাপ্ত সময় ধরে রান্না করতে।