‘এক টুকরো গল্পে সভ্যতার রাজপুত্র’

  • 28 Dec
  • 02:13 PM

এম ওয়াহিদ তাওসিফ 28 Dec, 20

কখনো স্বপ্নকে স্পর্শ করেছেন? অবাক হচ্ছেন?

বিমূর্ত কিছুকে স্পর্শ সম্ভব? সম্ভব স্বপ্নকে ছুয়ে দেখা?

এমন অনেক অসম্ভব কে জীবন ও কর্মে স্পর্শ করেছেন এক স্বপ্নের অন্তর্যামী পুরুষ৷ আধিপত্য বিস্তার করেছেন স্বপ্নের উপরই৷ হাজারো রহস্য আর বিস্ময়ে ঘেরা এক বঙ্গ সন্তান তিনি৷ কখনো যুদ্ধ বিধস্ত বাংলাদেশের অস্তিত্ব ধরে রাখতে বিশ্ব শ্রমবাজারে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অবস্থান নিশ্চিত এবং রেমিট্যান্স নিশ্চয়তার প্রানপুরুষ৷ বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির জনক, কখনো বা বিশ্ব পরিচালনায় সেরা রাষ্ট্রনীতি নির্ধারক ও সামরিক কৌশলবিদ সহ পৃথিবীর অনেক প্রভাবশালী রাষ্ট্র পরিচালনায় পর্দার আড়ালের নেপথ্য কারিগর৷ কখনো বা রুচিশীল শৈল্পিক জীবনযাত্রা এবং ফ্যাশন যুবরাজদের সারিতে পৃথিবীর একমাত্র "বেস্ট ড্রেসড ম্যান"৷ শিক্ষা, সৌন্দর্যবোধ, মেধা, ও ব্যতিক্রমী জীবন- যাপনে উত্তরাধুনিকতাবোধ তাকে দিয়েছে পৃথিবীর ইতিহাসে অনন্য এক উচ্চতা৷ বলছিলাম ফ্যাশন বৈচিত্র্যের একচ্ছত্র যুবরাজ এবং আধুনিক সভ্যতার মূর্ত প্রতীক প্রিন্স ড, মূসা বিন শমসেরের কথা৷

হাজারো প্রশ্ন, জানা-অজানা গল্প আর রুপকথার এই রাজপুত্রকে ঘিরে মানুষের কৌতুহলের যেন শেষ নেই৷ শেষ হবেই বা কিভাবে? মানব সভ্যতার ইতিহাসে পৃথিবীর এই ভয়ংকর অস্ত্রব্যবসায়ী এবং জনশক্তি রপ্তানির রুপকার শুধু তার অর্থ আর ক্ষমতার জন্যেই সমাদৃত নয়৷ জীবন ও কর্মে তিনি একজন প্রকৃত বীর, জীবন্ত কিংবদন্তী৷ রহস্য ঘেরা জীবনযাত্রা আর আভিজাত্যের পটে জীবনকে স্থাপন করে করে হয়ে উঠেছেন সভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য সাক্ষী৷ সভ্যতার এই রাজপুত্রের সাথে একান্ত সাক্ষাৎতের পর তাকে নিয়ে লিখেছেন -এম ওয়াহিদ তাওসিফ৷


বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও প্রিন্স মূসা-

দেশের মানুষের প্রতি প্রগাঢ় ভালবাসা, দায়িত্ববোধ আর জাতির জনকের আস্থাভাজন হওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডকে করেছেন শক্তিশালী৷ বিশ্ববিখ্যাত এই সূর্যসন্তান পৃথিবীর শ্রমবাজারে বিভিন্ন দেশের শ্রমিকের চাহিদার পাশাপাশি বাংলাদেশী শ্রমিকদের চাহিদার এক শক্ত অবস্থান দাড় করাতে কাজ করে গিয়েছেন পর্দার আড়াল থেকেই৷ লোকক্ষুর অন্তরালে থেকেও দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ আর সাধারণ মানুষের প্রতি তার দায়িত্ববোধ টলাতে পারেনি বিন্ধুমাত্র৷ দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের শিখরে পৌছে দিতে যে ক'জন বাঙ্গালি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন তার মধ্যে ড. মূসা অন্যতম৷ পৃথিবীর বহু সিনিয়র সাংবাদিক , সম্পাদক, লেখক,কলামিস্টদের মতে যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির মধ্যে দিয়েই দেশের মূল উন্নয়নের স্বপ্ন কারিগর প্রিন্স ড. মূসা বিন শমসের৷ চারপাশে যখন আলো আর অন্ধকারের খেলা, মানুষ যখন ক্ষুধার্ত স্বাধীনতায় দিশেহারা তখনি এক আলোকবর্তিকা হয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে বদ্ধপরিকর হয়েছিলেন বাস্তব জীবনের এই কর্মবীর৷


করোনা ভাইরাস নির্মূলঃ ড. মূসার বিস্ময়কর ফর্মূলা ও নাসার অনুমোদন-

সম্প্রতি করোনাভাইরাসে থমকে দাঁড়িয়েছে গোটা বিশ্ব। এ ভাইরাস যেন সভ্যতা আর উন্নত প্রযুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভিন্ন এক পৃথিবীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে আমাদের। সে পৃথিবীর রং মোটেই শুভ্র নয়। সে পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে মৃত্যুর মিছিল। পৃথিবী যখন তার ভিন্নরুপে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে, অজস্র সম্ভাবনাময় প্রাণ অঝরেই ঝরে পড়ছে৷ এই অপ্রত্যাশিত অথচ অনিবার্য প্রতিক্রিয়ার মিছিলে সবাই যখন দিশেহারা তখনি মানব সভ্যতার ইতিহাসে বিরল অবদান রেখেছেন এই প্রগতিশীল কিংবদন্তী৷

শুধু ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ নয় বরং সারা বিশ্বের মানব সভ্যতাকে এই ভয়ংকর ক্ষতির মুখ থেকে বাচাতে ড. মূসা তার অভাবনীয় তত্ব নাসায় উপস্থাপন করেন৷ পরবর্তীতে দীর্ঘ পর্যবেক্ষনের পর

নাসার প্রধান বিজ্ঞানী জেমস এল গ্রীন ড. মূসার এই তত্বের স্বীকৃতি দেন৷ গত ২৩ মে নাসার প্রধান বিজ্ঞানী জেমস এল গ্রীন এক শুভেচ্ছা বার্তায় তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই তত্বের স্বীকৃতি দেন৷ কোভিড ১৯ এর ভয়ংকর থাবা থেকে পরিক্রান পেতে প্রিন্স ড. মূসা বিন শমসের জানান ৬০ শতাংশ সালফার, পারমানবিক ও ইউরেনিয়াম আনুপাতিক হারে মিশ্রনের মাধ্যমে ধোয়া তৈরী করতে হবে এবং আমেরিকান এয়ার ফোর্স এর যুদ্ধবিমান দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ফুট উপর থেকে আক্রান্ত এলাকায় ছড়িয়ে দিতে হবে৷ ব্যয়বহুল এই প্রক্রিয়ায় বিষয়ে নাসার প্রধান বিজ্ঞানী জেমস এল গ্রীন জানান, ব্যায় এবং পারমানবিক উপকরণের মিশ্রনে ঝুকির বিষয়টি আমাদের মাথায় রেখেও বলা যায় থিয়োরী মোতাবেক আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবো৷ সমৃদ্ধ হবে মানব সভ্যতার অস্তিত্বের ইতিহাস৷



সভ্যতার শ্রেষ্ঠ স্টাইলিশ আইকন এবং একজন প্রিন্স মূসা বিন শমসের -

পৃথিবীর ইতিহাসে "বেস্ট ড্রেসড ম্যান" হিসেবে সমাদৃত এই ফ্যাশন যুবরাজ সভ্যতার শ্রেষ্ঠ স্টাইলিশ আইকন এবং এশিয়ার শেষ্ঠ ধনকুবের৷ পৃথিবীর এমন এক ফ্যাশনের যুবরাজ যিনি এক পোশাক কখনো দ্বিতীয়বার পরেন না৷ স্বর্ন খচিত পালঙ্কের নরম গালিচায় ঘুমাতে যাবার আগে এবং পরে তিনি স্নান করেন পৃথিবীর সেরা সব পারফিউম দিয়ে৷ গোলাপ ফুল ভেজানো জলের অবগাহনে হাত, মুখ,শরীর ধৌত করেন৷ এসব দুর্লভ গোলাপ পৃথিবীর সেরা বাগান থেকে সংগ্রহ করা হয়৷ পৃথিবীর সেরা ডিজাইনের এবং নির্মাতাদের তৈরী বিভিন্ন অতি মূল্যবান পোশাক পরিধানে বরাবরই তার উন্নত রুচিবোধ এবং সকলের চেয়ে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে৷ তার জন্য ডিজাইনকৃত পোশাক শুধু তিনি নিজেই পরিধান করেন, অন্য কেউ সে সব দুর্লভ ডিজাইনের কারুকাজ করা পোশাক ব্যবহার করতে পারেনা৷ পৃথিবীর প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে শুরু করতে আধুনিক যুগের কোন ইতিহাসে এমন দ্বিতীয় ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি৷ বিশ্বের ভয়ংকর এই অস্ত্র ব্যবসায়ীর বাল্যকালেই ছিলেন এক আশ্চর্য বালক৷

বিশ্বসেরা ঘড়ির ব্রান্ড রোলেক্স,ভ্যাশেরন সহ অডের্মাসের রুবী, পান্না, হীরা ও স্বর্নের তৈরী হাতঘড়িতে তিনি এক বিরল মানুষ৷

ব্রিওনী, আবলা, কিতন, আরমানী সহ পৃথিবীর সব নামী দামী ব্রান্ডরে স্যুট শোভা পায় তার শরীরে৷

শুধু কি তাই? ব্যক্তিত্ব ও মানসিকতায় তিনি এক অনন্য মানুষ৷ মানুষ ও মানবতার সেবায় তার অবিস্মরণীয় অবদান তাকে অমর করে রাখবে দিগন্তপ্রসারী দৃষ্টিতে৷