হত্যার হুমকিদাতা সেই ইবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

  • 07 Jan
  • 08:51 AM

ইবি প্রতিনিধি 07 Jan, 21

হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ব্যবস্থাপনা বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এম এম নাসিমুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এতে ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর ও আবাসিক কমিটির আহ্ববায়ক ড. মামুনুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আইন বিভাগের প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল ও সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আল ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর আলতাফ হোসেন একই ভবনে বসবাসকারী ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম এম নাসিমুজ্জামান অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন মর্মে তার আবেদনে উল্লেখ করেছেন। সেই প্রেক্ষিতে উপাচার্য মহোদয় ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (১ জানুয়ারি) আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর আলতাফ হোসেনকে ‘খুনের হুমকি’ দেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এমএম নাসিমুজ্জামান। এ ঘটনায় ওইদিন বিকেলে ইবি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক। পরে গত শনিবার (২ জানুয়ারি) সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে গত রোববার (৩ জানুয়ারি) অভিযুক্ত শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী। পরে গত সোমবার (৪ জানুয়ারি) অভিযুক্ত শিক্ষকের স্থায়ী আবাসিকতা বাতিলের দাবি জানিয়েছে অন্য আবাসিক শিক্ষক-কর্মকর্তারা। একইসাথে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারপূর্বক উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়া শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও প্রশাসনের সাথে দেখা করে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।