আত্মহত্যা মুক্তির একমাত্র পথ নয়

  • 07 Sept
  • 09:09 AM

হৃদয় মিয়া 07 Sept, 21

আত্মহত্যা নামক শব্দটি শুনতে সহজ হলেও আসলে ততটা সহজ নয়। আত্মহত্যা মানে নিজেকে শেষ করে দেয়া, পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে বিদায় নেয়া। আত্মহত্যা করতে অনেক সাহসের প্রয়োজন। কিন্তু সেই সাহসী ব্যক্তিরাই সাহস হারিয়ে বিপদে কাপুরুষের মতো নিজের জীবন দিয়ে দেয়। এটি কোনো সমাধান নয় বরং বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কেননা আত্মহত্যার মাধ্যমে একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে পরিবারে নেমে আসে দুর্বিষহ বিভীষিকা।সামাজিকভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে পরিবারটি নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। একটি আত্মহত্যার পিছনে লুকিয়ে থাকে অনেক না বলা গল্প।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আত্মহত্যার পিছনে লুকিয়ে আছে বেশ কয়েকটি কারণ। এর মধ্যে কিছু হল-পারিবারিক অশান্তি, অর্থনৈতিক সমস্যা,সামাজিক এবং পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন, মানসিক বিষন্নতা, প্রেমে ব্যর্থতা, হতাশা, নেশা এছাড়াও শারীরিক জটিলতা সহ অন্যান্য কারণ।

এগুলোর পেছনে ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র সকলেই দায়ী। তাই এই আত্মহত্যা প্রতিরোধে ব্যক্তি নিজে, সমাজ এবং রাষ্ট্র সকলেই ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবারের সকলকে পারিবারিক শান্তি বজায় রাখতে হবে। মানসিকভাবে প্রফুল্ল থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। পরাজয় মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। রাষ্ট্রকে বেকারত্ব দূর করতে হবে এবং সকলের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনতে হবে। সমাজ থেকে নেশা দূর করতে হবে। সর্বোপরি সুস্থ সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল জীবন যাপনের মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

লেখকঃ- হৃদয় মিয়া
শিক্ষার্থী, ১৫ ব্যাচ, অর্থনীতি বিভাগ,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।