• 08 June
  • 12:33 PM
জ্বরে প্যারাসিটামলের সঠিক ব্যবহার

সাব্বির হাসান রাব্বি,রমেক প্রতিনিধি 08 June, 19




প্যারাসিটামলের সঠিক ডোজিং এর অভাবে জ্বরে এন্টিবায়েটিক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। প্যারাসিটামলের হাফ লাইফ মাত্র দেড় থেকে ৩ ঘন্টা। ওষুধটি লম্বা সময় কাজ করেনা। এর স্বাভাবিক ডোজ ১০ মিগ্রা পার কেজি পার ডোজ ওজন হিসাবে। একজন ব্যক্তির ওজন যদি হয় ৬০ কেজি সে ৬০০ মিগ্রা পাবে, ৭০ কেজি হলে ৭০০ মিগ্রা। তবে বাজারে ৫০০ মিগ্রা ও ৬৬৫ মিগ্রা অাকারে থাকায় অ্যাডাল্টদের জন্য ডোজ হবে (ম্যানুফ্যাকচার প্রণীত)-

-------------
১. ৫০০ মিগ্রা হলে ১টা ট্যাবলেট ৬ ঘন্টা পর পর মানে দিনে ৪ টা (সর্বনিম্ন ডোজ)
-------------
২. ৫০০ মিগ্রা ১টা ট্যাবলেট ৪ ঘন্টা পর পর দিনে ৬ টা দেয়া যাবে যদি ওজন বেশি হয়, জ্বর তীব্র থাকে।
-------------
৩. ৬৬৫ মিগ্রা ১টা ট্যাবলেট ৬-৮ ঘন্টা পর পর মানে দিনে ৩-৪ টা
-------------
৪. ৫০০ মিগ্রা ১টা সাপোজেটরী দিনে ২-৩ টা ব্যবহার করা যাবে। বা মুখে খাবার পাশাপাশি জ্বর ১০২ বা বেশি হলে এক্সটা হিসাবে নেয়া যাবে। তবে সবমিলিয়ে পার ডে ডোজ যেন 4 গ্রামের বেশি না হয়।
-------------

# প্যারাসিটামল প্রেসক্রাইবের সময় অবশ্যই জেনে নিতে হবে রোগীর লিভার ডিজিস অাছে কি না।

# সাধারণ ভাইরাল জ্বরে সঠিক মাত্রার প্যারাসিটামলই চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট। প্যারাসিটামল দেয়া হচ্ছে কিন্ত জ্বর কমছেনা এর অন্যতম কারণ সঠিক ডোজিং এর অভাব।

# স্টাডি থেকে জানা যায় ক্যাফেইনযুক্ত প্যারাসিটামল কোন বাড়তি ভূমিকা পালন করেনা। ক্যাফেইনযুক্ত প্যারাসিটামল FDA অ্যাপ্রুভড ড্রাগও নয়। তাই এটা ব্যবহারে কোন বাড়তি উপকারীতা নেই।

# জ্বরে ডাইক্লোফেনাক, কক্স ইনহেবিটর বা অ্যাসপেরিন ব্যবহার করা উচিত নয়, যদিও এগুলো তাপমাত্রা কমায়। প্যারাসিটামলের বিকল্প হিসাবে আইব্রুপ্রোফেন ব্যবহার করা যাবে।

লেখকঃ ডাঃ তানজিল ইসলাম
প্রভাষক,রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ।