• 10 June
  • 10:42 PM
কয়রা উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: আহত ৫

কয়রা প্রতিনিধি, খুলনা 10 June, 19


খুলনার কয়রা উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ৯ জুন, বরিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহারাজপুর ইউনিয়নের সুতির অফিস এলাকায়। এতে উপজেলা ছাত্রলীগের ৪ নেতা কর্মীসহ সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আলামিন ইসলামের ভাই আবুল কালাম আহত হয়েছে।

এ ব্যাপারে, কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে সুতির অফিস এলাকায় সাংগঠনিক মিটিং ও ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কালে সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের ভাই ও তার সাথে থাকা লোকজন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সাথে অশোভন আচরণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে কথা কাটাকটি করতে করতে ছাত্রলীগের উপর এলাকার চিহ্নিত কয়েকজন সন্ত্রাসী হামলা করে ।

অর্তকিত হামলায় ছাত্রলীগ নেতা রাব্বী, রাসেল, আব্দুল্লাহ, মাদানী ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদ মেম্বর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আব্দুল্লাহ ও মাদানীকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় ।

ছাত্রলীগ সভাপতি আরও জানান, এ হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ সভাপতি সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল আমিনের ভাই রুহুল আমিন ও কালাম দোষারোপ করে বলেন তারা হামলায় সরাসরি নেতৃত্ব দেয় তাদের স্থানীয় প্রভাব টিকিয়ে রাখতে।

কয়রা থানার ওসি তারক বিশ্বাস বলেন, ছাত্রলীগ সভাপতি ঐ এলাকায় সাংগঠনিক প্রোগ্রাম করছিলেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদকের ভাইয়ের সঙ্গে কয়েকজনের কথাকাটা কাটি হয়। এর জেরে হাতাহাতি হয়। তবে বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি।খবর পেতে তাৎক্ষনিক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলামিন ইসলাম বলেন, হামলার কথা শুনেছি। আমি খুলনাতে অবস্থান করছি। এক পক্ষ অতিউৎসাহিত হয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়েছে । তিনি আরও বলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদ মেম্বরের নেতৃত্বে আমার ভাই আবুল কালামের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক জখম করা হয়েছে । তাকে গুরুত্বর অবস্থায় প্রাথমিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।