• 14 May
  • 02:26 PM
এবার নিজেই মার খেলেন সেই ছাত্রলীগ নেত্রী শ্রাবণী শায়লা

ঢাবি প্রতিনিধি 14 May, 19

গতকাল সোমবার ঘোষিত হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা। কেন্দ্রীয় ওই কমিটিতে পদ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে চলছে উত্তেজনা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ।



কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে অযোগ্য, অছাত্র, বিবাহিত, বহিষ্কৃত, বিভিন্ন মামলার আসামীদের পদায়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে পদবঞ্চিত ছাত্রলীগের একাংশ।



গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ওই বিক্ষোভে হামলায় রক্তাক্ত হয়েছেন ছাত্রলীগের নেত্রী শ্রাবণী শায়লা। তিনি কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।



এ হামলায় আহত অন্যরা হলেন- ছাত্রলীগের বিগত কমিটির সদস্য ও ডাকসুর বর্তমান সদস্য তানভীর হাসান সৈকত, কবি সুফিয়া কামাল হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা শিকদার, ডাকসুর আরেক সদস্য ফরিদা পারভীন, ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক বি এম লিপি আক্তারসহ কয়েকজন।



শ্রাবণী শায়লার উপর হামলার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য করেন। কারণ ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দে’র ব্যানারে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয় অবরোধ করলে এই শ্রাবণীই তাদের চুল ধরে টেনে ও ওড়না ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে সেসময় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠে।



সেই ঘটনার পর লাঞ্ছনার শিকার ঢাবির ডিজেস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ওই শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আমাদের এক সিনিয়র আপুকে ছাত্রলীগের ছেলেরা ক্রমাগত লাথি দিলে আমার বন্ধুরা তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়। আমাকে একা পেয়ে শায়লা ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারতে থাকে। আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। সে আমাকে তখনও মেরে যাচ্ছিল আর বলছিল, কেন আন্দোলন করলি? আন্দোলন করে কি? আমরা তা দেখে নেব। এরপর সে আমার চুল ধরে টেনে নিয়ে যায়, জামা টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলে।’