• 09 Oct
  • 03:40 PM
মেরুদণ্ডহীন বুয়েট ভিসি

বুয়েট প্রতিনিধি 09 Oct, 19

ড.সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য।২৩ জুন, ২০১৬ সালে উনি উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হন।
এবার আসা যাক তার গুণপনা কাহিনী তে।১৯৭৫ সালে Electrical and Electronics Engineering এ ডিপার্টমেন্ট এ প্রথম স্থান অধিকার করেন।১৯৭৭ সালে অর্জন করেন মাস্টার্স ডিগ্রি। ৭৫ সালেই লেকচারার হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
তারপর কাজ করেছেন ডিপার্টমেন্ট এর হেড সহ নানান গুরুত্বপূর্ণ পদে।
গত কয়েক সপ্তাহ আগেই বুয়েট শিক্ষার্থীদের আরেকটি আন্দোলনের সম্মুখীন হন তিনি।যথারীতি নির্লিপ্ত ছিলেন। তার বিশ্ববিদ্যালয় এ ছাত্র ছাত্রীরা এক সপ্তাহ ক্লাস বয়কট করে তার অফিসের সামনে বসে আছে সারাদিন, কিন্তু তিনি যথারীতি অফিসে বা বাসায় নীরবে বসে আছেন।
শেষ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মণি এর উদ্যোগে কিছু একটা মিটমাট হয়।যদিও১৬ দফা দাবির গুলোর দুই একটা ছাড়া কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। প্রশ্ন হল মন্ত্রী নিজে এসে যদি মিটমাট করতে হল তাইলে ভিসি কেন?
আন্দোলন শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রশ্নটি তখন চাপাই থেকে যায়।

আর এবারের ঘটনাতো সবারই জানা।নিজের ছাত্র যে কিনা তার সন্তানতুল্য সাথে সাথে যার ঘটনা স্থলে আসার কথা, জানাজায়ও অংশগ্রহণ করেন নি।
তখন তিনি মন্ত্রীর সাথে মিটিংয়ে ছিলেন। অইটাই তো বেশি important, পদটা টিকিয়ে রাখতে হবে কিনা!!!একাডেমিক কাজ ফেলে ছাত্রলীগের সভার সভাপতি করাই তাদের কাছে বেশি important.

তার সময়ে বারবার ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। কিছু দিন আগেও আহসানউল্লা হলে এক জুনিয়র ব্যাচের ছাত্রকে থাপ্পড় দিয়ে কানে পর্দা ফাটিয়ে দেয় ছাত্রলীগের নামধারী বড়ভাই।ঘটনাটি ভাইরাল হলেও প্রায় কোনোশাস্তি ছাড়াই চলে যাচ্ছিল যদি না সোহরাওয়ার্দী হলে সেইম আরেকটি ঘটনা ঘটত।পরে তাদের ৬ মাসের হল বষ্কিকার দেওয়া হয়।

এই হল বুয়েটের বর্তমান অবস্থা। যার জন্য আপনি কাকে দায়ী করবেন??