• 28 June
  • 01:50 PM
আল আযহার ইউনিভার্সিটি, মিশরে স্কলারশিপে আবেদন শুরু

যায়েদ হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি 28 June, 19

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা মিশরের আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর স্কলারশিপ পেয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাড়ি জমায় অনেক শিক্ষার্থী।

প্রাথমিক ভাবে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে আবেদন করতে হবে। এরপর উক্ত আবেদন ফর্ম সহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস খামে ভরে মিনিস্ট্রিতে জমা দিতে হবে। খামের উপর প্রেরক ও প্রাপকের নাম, ট্রাকিং নং অবশ্যই লিখতে হবে।

জমা দেবার ঠিকানাঃ
যুগ্ম সচিব(বৃত্তি), বাংলাদেশ সচিবালয়, বিল্ডিং নং ৬ , রুম নং ১৭০৫ , বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ

০১- সার্টিফিকেট
০২- মার্কশিট
০৩- পাসপোর্টের ফটোকপি
০৪- ন্যাশনাল আইডি
০৫- অ্যারাবিক ল্যাংগুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি সার্টিফিকেট
০৬- রিসেন্ট পাসপোর্ট সাইজ ছবি ৬ কপি।
০৭- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
০৮- মেডিকেল সার্টিফিকেট

অনলাইন আবেদনের লাস্ট ডেটঃ ১০-০৭-২০১৯
মিনিস্ট্রিতে জমা দেয়ার লাস্ট ডেট ১১-০৭-২০১৯ বিকাল ৪টা।

লিংকঃ http://scholar.banbeis.gov.bd/alazher

বর্তমানে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদগুলোকে ইসলামিক ও আরবি, বিজ্ঞান ও মানবিক এই তিনটি ইউনিটে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিটে রয়েছে একাধিক অনুষদ ও বিভাগ। এটি বর্তমানে আরবি সাহিত্যের এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিশ্বের প্রধান কেন্দ্র। মিসরের প্রাচীনতম ডিগ্রি গ্রান্টিং এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৬১ সালে জাতীয়করণ করা হয় এবং স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য হলো ইসলাম ধর্ম ও ইসলামী সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানো। বর্তমানে ইসলাম শিক্ষার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসেন।

মিসরের কায়রো নগরীতে অবস্থিত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়। ফাতেমীয় খলিফা আল-মুইজ লিদিনাল্লাহ ইসলামী শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে ৯৭০ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু করেন।
৯৭২ সালে এর নির্মাণ সম্পন্ন হয়। প্রথমে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় আল-আজহার মসজিদ নামে পরিচিত ছিল। এটি কায়রোর প্রথম মসজিদ। ৯৮৯ সালে এই মসজিদে ৩৫ জন আলেমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পর থেকে মসজিদটি ধীরে ধীরে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি মুসলিম বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরে সর্বোচ্চ শরিয়া শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এখানে শিক্ষার্থীরা কোরআন এবং বিস্তারিতভাবে ইসলামী আইন শিক্ষা নেন। পরবর্তী সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, ফার্মেসি, মেডিসিন, প্রকৌশল, কৃষি, যুক্তিবিদ্যা, ব্যাকরণ, অলংকারশাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মিসরের বাইরে গাজা এবং কাতারের দোহায় এর শাখা রয়েছে।