• 29 Sept
  • 06:36 PM
সিলেটে জনপ্রিয় দুই কথা সাহিত্যিক

রনো আনোয়ার,ঢাবি প্রতিনিধি 29 Sept, 19

বইয়ের প্রতি বিমুখ এই সময়ে তরুণ প্রজন্মকে বইয়ের দিকে ফেরানো খুবই বড় একটা চ্যালেঞ্জ। বই পড়ার অভ্যাসকে হীন দৃষ্টিতে দেখার একটা প্রবণতা এই যান্ত্রিক সমাজে আছে। যে বই পড়লো সে যেনো আঁতেল হয়ে গেল! মিডিয়াবাজি আর তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে বইকে অপাঙতেয় মনে করা এই শ্রেণীর ঘুম ভাঙাতে এবার সিলেটে গেলেন সময়ের দুই জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক কিঙ্কর আহসান ও আব্দুল্লাহ আল ইমরান।

পূর্ব জিন্দাবাজারে অবস্হিত বাতিঘরে আয়োজিত অনুষ্ঠান "বইয়ের টানে তারুণ্য" তে ছিল বইপ্রেমী তরুণদের ভিড়।তরুণ পাঠকদেরকে তাদের প্রিয় লেখকের সান্নিধ্য দিতেই এ আয়োজন করে অন্বেষা প্রকাশনী ও বাতিঘর।

অন্বেষা প্রকাশনীর প্রকাশক শাহাদাৎ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগি অধ্যাপক কৌশিক সাহা।

এসময় অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লোক গবেষক ও প্রথম আলো সিলেটের প্রতিনিধি সুমন কুমার দাশ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর’র সিলেটের নিজস্ব প্রতিবেদক গোলজার আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বই পড়ার প্রয়োনীয়তা এবং লেখক হয়ে ওঠার নানা চড়াই উৎরাই নিয়ে কথা বলেন বর্তমান বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় দুই শক্তিমান লেখক কিঙ্কর আহসান এবং আব্দুল্লাহ আল ইমরান।

কিঙ্কর আহসানের উল্লেখযোগ্য বই মধ্যবিত্ত, কাঠের শরীর,মকবরা,রাজতন্ত্র, মখমলি মাফলার ইত্যাদি।সম্প্রতি একুশে বইমেলায় প্রকাশিত তার "বিবিয়ানা"বইটি পাঠক সমাজে তুমুল আলোড়ন তৈরি করে এবং এসময়ের লেখক হিসেবে তাঁকে সামনে নিয়ে আসে। বইটি ছিল এবারের বইমেলার অন্যতম বেস্টসেলার। তিনি বর্তমানে আছেন এশিয়াটিক নামক একটি বহুজাতিক এ্যাডফার্মের গল্পলেখক হিসেবে।তাঁর গল্প থেকে তৈরি করা এ্যাড নিয়ে আলোচনা হয়েছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়। সম্প্রতি টোকিও বইমেলাতেও সাড়া ফেলে তাঁর বইগুলো।লিখে চলেছেন দেশী বিদেশী নানা পত্রপত্রিকায় নিরন্তর।

আব্দুল্লাহ আল ইমরান অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে যতটা জনপ্রিয়, লেখক হিসেবেও ততটাই সাবলীল এবং বৈশিষ্ট্যমন্ডিত।তাঁর লেখা উপন্যাস "এই সব ভালোবাসা মিছে নয়" এর নামটি এখন সারাদেশে একটি জনপ্রিয় উক্তি।সর্বশেষ তার লেখা "হৃদয়ের দখিন দুয়ার" একটি অনন্য রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবে পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে।প্রতিনিয়ত নতুন কিছু করার চেষ্টায় বইয়ের প্রোমো হিসেবে তার লেখা একটি গান গেয়েছিল নবীন শিল্পী মাহাতিম সাকিব।যা অভিনব একটি সংযোজন হিসেবে আলোড়ন তৈরি করে।তাঁর কালচক্র এবং দিবানিশি উপন্যাস দুটিকে বাংলা সাহিত্যের হূমায়ুন পরবর্তী কথাসাহিত্যের পথনির্দেশক মনে করেন সাহিত্যবোদ্ধারা।

প্রিয় দুই লেখকের সান্নিধ্য পেয়ে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন পাঠকবৃন্দ।